The Father of All Hacker- Kevin Mitnick

Sonia&Sonchoy

07 April, 2021 | 1 : 20 pm

কেভিন মিটনিক – দ্যা ফাদার অফ অল হ্যাকার

হ্যাকিং এর নাম নিলেই যার নাম সবার আগে মাথায় আসে সে হচ্ছে কেভিন মিটনিক।তার পুরো নাম কেভিন  ডেভিড মিটনিক।  কেভিন মিটনিককে বলা হয় ‘ফাদার অফ অল হ্যাকার’।কেভিন মিটনিক ক্র্যাকিং থেকে হ্যাকিং সকল বিষয়ে পারদর্শী ছিলেন।আজ আমরা জানব তার ক্র্যাকার থেকে হ্যাকার হওয়ার গল্প।

কেভিন মিটনিকের জন্ম ৬ আগস্ট, ১৯৬৩, লস এঞ্জেলেস, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। তিনি মনরো উচ্চ বিদ্যালয়ে লেখাপড়া করেন।তিনি পড়াশুনায় সবসময় বেশ ভালো ছিলেন। ছোটোবেলা থেকেই সে মানুষকে বোকা বানিয়ে মজা পেতেন।মাত্র ১০ বছর বয়সে তিনি ম্যাজিকের প্রতি আকৃষ্ট হন এবং সারাদিন এসব নিয়েই পড়ে থাকতেন। দর্শকদের চোখে ধোঁকা দেয়ার প্রবনতা তার এখান থেকেই জন্মায়। ১২ বছর বয়সে হ্যাকিং এর ভূবনে প্রবেশ করেন মিটনিক। তার হ্যাকিং জীবন শুরু হয় ‘সোশ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং’ ব্যবহার করে লস এঞ্জেলসের বাসে পাঞ্চ কার্ড হ্যাকিং এর মাধ্যমে।সোশ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং হচ্ছে এমন একটি নিখুঁত শিল্প, যার মাধ্যমে বেশ সহজেই যে কাউকে বোকা বানিয়ে নিজের বশে আনা যায় এবং ইচ্ছেমতো কাজ করিয়ে নেওয়া যায়।

 

মিটনিকের বয়স যখন তের, তাকে অধিকাংশ সময়ই স্থানীয় বুক স্টোরগুলোতে পাওয়া যেত। তখন ‘দ্য বিগ ব্রাদার গেইম’ নামের একটি বইয়ের প্রতি আসক্ত হয়ে পরেন।অন্যের  সম্পত্তির দলিল, ড্রাইভিং হিস্টোরি, এমনকি ব্যাংক অ্যাকাউন্টের  তথ্যগুলোর প্রবেশাধিকার নেওয়ার পদ্ধতি শিখে নেন । এতে তিনি সোশ্যাল  ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের দুনিয়ার আরো এগিয়ে যান।  সে এই শিল্পে এত বেশি দক্ষ হয়ে উঠেছিলেন ১৭ বছর বয়স থেকে সে চাইলেই ফোনের অপর প্রান্তে থাকা মানুষটির কাছ থেকে গোপন নথি, ব্যক্তিগত তথ্য হাতিয়ে নিতে পারতো। তার বন্ধু, আত্মীয়-স্বজন, শিক্ষক থেকে শুরু করে এমন কি এমন ব্যক্তি যার সাথে আগে কখনো তার দেখা হয়নি তার ও তথ্য সে হাতিয়ে নিতে পারতেন।হঠাৎ একদিন তিনি একটি গবেষণা কেন্দ্রের ফোনি কম্পিউটার সিস্টেমের অ্যাডমিনিস্ট্রেটর অ্যাকাউন্ট হ্যাক করে ফেলেন এবং সেখানে তার বন্ধু মিকাহ’র বাবা কাজ করতেন।সবকিছু মিকাহ এবং কেভিনের মনমতোই চলছিল ।কিন্তু হঠাৎ একদিন  ব্যাপারটি সিস্টেমের নিরাপত্তাকর্মীদের নজরে আসার সাথে সাথে তারা এফবিআইকে জানায় এবং এফবিআই প্রথমে মিকাহ’র বাবাকে সন্দেহ করে।মিকাহ’র বাবা যখন মিকাহ’র কাছে এ ব্যাপারে জানতে চায়, তখন সে  নিজেকে বাঁচানোর জন্য কেভিনকে দায়ী করে।কেভিনের বয়স আঠারোর কম ছিল এবংতখন কম্পিউটার হ্যাকিংয়ের কোনো আইন চালু হয়নি বলে সে রক্ষা পান।কিন্তু এফবিআই তাকে এ ব্যাপারে কঠোরভাবে সতর্ক করলেও তার গভীর আসক্তি শেষ হয় না।এরপর একদিন তার  মাথায় ইউএস লিজিং (US Leasing) এর মতো বিশাল একটি কোম্পানির সিস্টেম হ্যাক করার চিন্তা আসে। এবং তাকে এইকাজে সাহায্য করতে তার হ্যাকার বন্ধু ল্যুইসকে (Lewis de Payne) নিয়োগ করেন।কিন্তু লিউইসের বান্ধবী সুজানা হ্যাডলির জন্য স্থানীয় পুলিশ এই ব্যাপারে জানতে পারে এবং তাকে  ৯০ দিনের জন্য কিশোর অপরাধী হিসেবে পুলিশ হেফাজতে রাখা হয়।চারদিকে মিটনিকের কুখ্যাতির কথা ছড়িয়ে পড়ে।বিশেষ করে আইটি কোম্পানিগুলোতে।‘লা টাইমস’ নামের একটি পত্রিকা তার অপরাধ কর্মকাণ্ডের কথা বেশ গুরুত্বের সাথে রিপোর্ট করেছিল।

 

পরবর্তীতে সে একটি কারিগরি স্কুলে ছয়মাস কম্পিউটিং কোর্স শেষ করেন এবং স্কুলের রেফারেন্সেই জিটিই (GTE) নামের একটি টেলিফোন কোম্পানিতে ইন্টার্ন করার সুযোগ পান তিনি।তাকে ফোন কোম্পানিটির সংবেদনশীল তথ্যতে বারবার প্রবেশাধিকারের সুযোগ দেওয়া হয়, জিটিই তাকে একটি নিরাপত্তা ফর্ম পূর্ণ করার জন্য বলে, যেখানে ঐ কোম্পানিতে স্থায়ীভাবে কাজ করার অফার দেন।কিন্তু সে অনুমান করতে পেরেছিলেন যে তার চাকুরীটা স্থায়ী হবে না।এবং পরিশেষে তাকে মাত্র ৯ দিন পর চাকরিচ্যুত করে হলে সে তার আগের জীবনে ফিরে আসেন।তিনি অবৈধভাবে বড় কোনো কোম্পানিতে হ্যাক না করলেও সন্ধ্যার পরে অনেক সময় ধরে বিভিন্ন দুর্বল সিস্টেমে প্রবেশ করার মাধ্যমে নিজের দক্ষতাগুলো যাচাই করতেন।এমন করেই এক সন্ধ্যায়  ‘Santa Cruz Operation’ নামের একটি সফটওয়্যার কোম্পানির সিস্টেম হ্যাক করতে যেয়ে ধরা পরে যান।এবার তাকে জেলে পাঠানোসহ তাকে এবং তার বান্ধবীকে ১.৪ মিলিয়ন করে ২.৮ মিলিয়ন ডলারের জরিমানা করা হয়।শুধুমাত্র তিন বছর প্রবেশন অ্যাক্টের আওতায় থাকার অভিপ্রায়ে জেল-জরিমানা থেকে মুক্তি পেয়েছিল। তিন বছরের প্রবেশন অ্যাক্টের আওতায় থাকাকালীন তিনি হ্যাকিং থেকে বিরতি নেন কিন্ত তাকে নতুন নেশা আকরে ধরে ফেলে।তার নতুন নেশা হল ‘এরিক হেইনজ’।তিনি এরিক হেইনজের সাথে দেখা করার জন্য আকুল হয়ে পরলেন কেননা সে হ্যাকিং কমিউনিটিতে উল্লেখযোগ্যভাবে দক্ষ এবং সফল হ্যাকার ছিলেন।কয়েকদিন  চেষ্টা করার পর অবশেষে এরিকের সাথে তার দেখা হয়েই যায়।প্রথম বার দেখা করার পর কেভিন প্রচুর আকৃষ্ট হন এবং এরিক নিজের কাজ ব্যপারে জানান, তার কাছে পশ্চিম উপকূলীয় অঞ্চলের প্রায় যেকোনো টেলিফোন সিস্টেমে প্রবেশ করার মতো কোড আছে।শুধু তাই নয় এমনকি ক্যালিফোর্নিয়ার সবরকমের ফোনকল শোনার মতো ক্ষমতা তার আছে।কিন্তু কেভিনের মনে খটকা লাগে ।তাছাড়া এরিকের কাজ গুলো ছিল সাহসের কাজ কিন্তু সে খুবই ভীতু প্রকৃতির।এবং এই সন্দেহ দূর করতেই সে  কিছু প্রচলিত পদ্ধতিতে তার ব্যাপারে খোঁজখবর নেওয়ার চেষ্টা করে কিন্তু কিছু পান না।কিন্তু তাকে আরেকটি বিষয় তাকে আগ্রহী করে তুলে তা হল এরিকের উধাও হয়ে যাওয়া।কিছু তদন্তের পর মিটনিকের বিশ্বাস হতে শুরু করে, এরিক আসলে কোন হ্যাকার নয়।কৌতুহলবশে এরিকের ব্যপারে জানাটা তার অনেক বড় ভুল হয়ে দাঁড়ায়।পরে সে জানতে পারে হ্যাকার হিসেবে পরিচয় দেওয়া এরিক ছিল এক এফবিআই এজেন্ট যে আরেক এজেন্টের সাথে একত্রিত হয়ে তাকে ফাঁসানোর পরিকল্পনায় করছিল।  মিটনিক ফাঁদে পা দেয়, এরিকের ফোনে আড়ি পাতে। সেই সুযোগে এফবিআই তার নামে সার্চ ওয়ারেন্ট বের করে।কিন্তু ভাগ্যক্রমে এফবিআইয়ের কাছে তার বিরুদ্ধে কোনো প্রমাণ ছিল না। এই সুযোগ তাকে তাদের থেকে এগিয়ে রাখে।তারা কেভিনকে কারাগারে পাঠাতে ব্যস্ত হয়ে পড়ে এবং নতুন সুযোগ খোঁজে।তার কিছু মাস পরেই তিন বছরের প্রবেশন শেষ করে বেরিয়ে আসে এবং স্বাধীনভাবে চলাচলের সুযোগ পায়।কিন্তু তা আর স্থায়ী হলো না।তিনদিনের মাথায় এফবিআই ওয়ারেন্ট ইস্যু নিয়ে মিটনিকের মায়ের বাসায় যেয়ে দিন দুই অবস্থান করেন।কারাগার থেকে বাঁচার পথ হিসেবে  ক্যালিফোর্নিয়া থেকে পালানোর পথ ছাড়া আর কোনো পথ তিনি দেখতে পান না।কিন্তু তার জন্য  নতুন কোনো পরিচয় প্রয়োজন যা এফবিআইয়ের হাতের নাগালের বাইরে থাকতে হবে।এই পরিকল্পনা নিয়ে তিনি  লাস ভেগাস থেকে পাড়ি জমালেন।সেখানে তার সোশ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের দক্ষতা কাজে লাগিয়ে জন্ম নিবন্ধনের সার্টিফিকেট এবং সোশ্যাল সিকিউরিটি নাম্বার যোগাড় করেন।তার নতুন নাম হয়  ‘এরিক ওয়েইস’।কিন্তু সমস্যাটা হয়ে দাড়ালো যে তার অর্থসম্পদ তার আসল নামে ছিল এবং জিমের লকারে রাখা ১১ হাজার ডলার চুরি হয়ে যায়।তাই তার চাকুরির প্রয়োজনে সে  ডেনভারে যান এবং রবার্ট অ্যান্ড ওয়েন নামের একটি ল’ ফার্মে চাকরির জন্য আবেদন করেন।কিন্তু চাকরিতে প্রয়োজন  একটি রিজিউম এবং আগের কোম্পানির রেফারেন্সের ফলে দক্ষতার সাথে সে এই কাজ গুলো খব সহজে করে ফেলেন।রিজিউমে উল্লিখিত কোম্পানির নামে একটি নকল ফোন বুথ তৈরি করে ফেলেন তিনি। যখন তথ্য যাচাই বাছাইয়ের জন্য যখন ফোন করা হয়, তখন মিটনিকই ফোন ধরে ঐ ফার্মকে জানায় যে, রবার্ট এন্ড ওয়েনে আবেদন করা ছেলেটি তাদের ফার্মেই কাজ করতো। এভাবেই সে কম্পিউটার অপারেটর হিসেবে সেখানে চাকরি পেয়ে যান।চাকরি আর হ্যাকিং উভয় একসাথে চালাতে থাকেন তিনি ।

 

 

আরও পড়ুনঃThe Man Behind the Great Cyberheist-Albert Gonzalez

 

নব্বই দশকের প্রথম থেকে মোবাইল ফোন প্রযুক্তি বেশ দ্রুতগতিতে এগিয়ে যাচ্ছিল।তখন কেভিনের ও নজর ছিল মোবাইল কোম্পানির উপর বিশেষ করে নোকিয়া, মটোরোলা এবং এনইসি।সেখান থেকে তার নতুন উদ্দেশ্য শুরু হয় নোকিয়া, মটোরোলা এবং এনইসিকে হ্যাক করা।নোকিয়া ও মটোরোলা হ্যাকিং করতে কোনো সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়নি।কিন্তু এনইসির বেলায় সিস্টেমে ঢুকে কাজ চালিয়ে যাওয়ার সময় সে ধরা পরে যায়।সে জানতো এফবিআই তার পিছু ছাড়বে না। দুপুরের খাবারের সময়টাতে ফোনে সোশ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং করে কাটাত। আর এই ব্যাপারটাই ফার্ম কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।তারা মনে করেছিল মিটনিক এই সময়টা কোম্পানির বাইরে অন্যান্য গ্রাহকদের টাকার বিনিময়ে পরামর্শ সেবা দেয়, যা ছিল ফার্মের নিয়ম বহির্ভূত।ফলে এইবার ও তার চাকুরি চলে যায়।ফলে তিনি এবার ও নিজের পরিচয় গোপন করেন এবং তার নতুন নাম হয়  ‘ব্রিয়ান মেরিল’।নতুন ঠিকানা হয় সিয়াটল।। নিজের ক্লোন করা ফোনের ট্রেস গোপন করার যে পদ্ধতি সে আবিষ্কার করেছিল, সেটি সিয়াটলের আইন প্রয়োগকারী সংস্থার নজরে চলে আসে।সে সব সময় তার পুরনো বন্ধুদের সাথে যোগাযোগ রাখতো কিন্তু তাদেরই একজন এফবিআইয়ের ইনফর্মার হিসেবে কাজ করে ফলে যখনই সে যোগাযোগের চেষ্টা করেন তখনই সে ধরা পড়ে যান ফলে তিনি  সিয়াটল ছেড়ে নর্থ ক্যারোলিনার রালেগে পালান।কিন্তু এফবিআই তার ক্লোন করা ফোন কলগুলোকে অনুসরণ করতে করতে রালেগে তার অ্যাপার্টমেন্টে হানা দিল।কেভিন ভেবেছিলেন যে তার অ্যাপার্টমেন্টে এফবিআইয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করার কিছু নেই এবংতার জাল পরিচয়পত্রের ব্যাপারে আশাবাদী ছিলেন ।অবশেষে তারা পুরনো স্কি জ্যাকেটে মিটনিকের নামে অনেক আগের একটি পে স্লিপ পান। ১৯৯৫ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি কেভিন আবার  আইনের আওতায় আসে প্রায় তিন বছর পলাতক থাকার পর।সে সর্বমোট ২৩টি ফোনকল জাল করেন,প্রায় বিশ হাজার ক্রেডিট কার্ড জাল করার মাধ্যমে অধিগ্রহণ করেছিল এবং  নোকিয়া, মটোরোলা ও এনইসির হ্যাকিং করেন ফলে আদালতের বিচার অনুসারে তার সর্বমোট ৪৬০ বছরের জেল হয় এবং  ক্ষতিপূরণ হিসেবে ৩০০ মিলিয়ন ডলার দাবি করে।আদালত মিটনিককে তার বিরুদ্ধে পেশ করা প্রমাণগুলোর বিরুদ্ধে রিভিউ করার কোনো সুযোগ দেয়নি। এমনকি তাকে জামিনের আবেদন করার সুযোগও দেয়া হয়নি। মিটনিকের ডিফেন্স অ্যাটর্নি সহ আরো অনেকেই তার সাথে হওয়া অবিচারের নিন্দা জানায়। তারা আদালতের বাইরে ‘ফ্রি কেভিন’ আন্দোলনের প্রচারণা চালায়। স্থানীয় পত্রিকাগুলোও তার পক্ষে কথা বলে।’ আন্দোলনের ফলে  আদালত সদয় হয়। সব কিছু বিবেচনা করে মিটনিককে পাঁচ বছরের জেল দেওয়া হয়। জরিমানার পরিমাণ তিনশ’ মিলিয়ন থেকে কমিয়ে ৪,১২৫ ডলার করা হয়। তিন বছরের জন্য কোনোরকম ইলেকট্রিক্যাল ডিভাইস ব্যবহারের ব্যাপারে পুরোপুরি নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়।তার ক্র্যাকিং হতে হ্যাকিং এর পথ চলা শুরু হয় ইউএস সিনেটর ফ্রেড থমসমের চিঠি থেকে। যুক্তরাষ্ট্র সরকার সাইবার অ্যাটাক থেকে কতটুকু নিরাপদ এ বিষয়ের উপর নিজের মতামত পেশ করতে তাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়।পরবর্তীতে বিভিন্ন কোম্পানি, সরকারি এজেন্সি, প্রযুক্তি বিষয়ক আলোচনা, টিভি শো’তে সাইবার সিকিউরিটি নিয়ে কথা বলার সুযোগ পেলেন তিনি।ঐ একই সময় হলিউডের প্রডিউসার জে.জে. আবরামস তাকে ‘Alias’ নামের টিভি সিরিজে সিআইএর কম্পিউটার স্পেশালিষ্ট হিসেবে অভিনয় করার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয় তাকে।সেখান  থেকেই তিনি সিদ্ধান্ত নেয় যে সে একজন সিকিউরিটি কনসাল্টেন্ট হিসেবে আজীবন কাজ করে যাবে। আর নিজের অভিজ্ঞতা, জানা বিষয়গুলো বই আকারে লিখে যাবেন। তার প্রথম বইয়ের নাম ‘The Art of Deception’।যেটি  ২০০২ সালে বইটি পুরো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র জুড়ে সবচাইতে বেশি বিক্রিত বই হয়। তিন বছরের প্রবেশন অ্যাক্টের সময় শেষ।তার হ্যাকিং জীবনে আবার ফিরে আসার পালা। তবে এবার বৈধভাবে।এবার তাকে  বিভিন্ন কোম্পানি থেকে আমন্ত্রণ জানানো হয় তাদের সিস্টেম হ্যাক করে দুর্বলতাগুলো ধরিয়ে দেওয়ার জন্য এবং কীভাবে দুর্বলতাগুলো কাটিয়ে সিস্টেমকে আরো উন্নত করা যায় সে বিষয়েও পরামর্শ চাওয়া হয় তার কাছ থেকে তাছাড়া তার কোম্পানি ‘মিটনিক সিকিউরিটি কনসাল্টিং’এবং এফবিআই সহ প্রায় ৫০০ সরকারি, বেসরকারি কোম্পানির কর্মচারীদের এথিক্যাল হ্যাকিং শেখানো সহ বিভিন্ন পরামর্শ দিয়ে থাকেন। এছাড়াও তিনি একজন নিয়মিত লেখক এবং সে পাবলিক স্পীকারও।  তার বিচিত্র জীবনকে ভিত্তীকরে দুটি চলচ্চিত্র-ও তৈরী হয়।‘ট্রেকডাউন’ তার জীবনী নিয়ে ২০০০ সালে তৈরি হয়।লেখা অন্যান্য বইগুলো হলো Hardware Hacking(2004), The Art of Intrusion(2005), Ghost in the Wires(2011), The Art of Invisibility(2017).এভাবেই তিনি হয়ে উঠেছেন  হ্যাকিং এর জগতে সবচেয়ে  গুরুত্বপূর্ণ নাম ।

 

Find us more here:

Website:

https://www.canbd.org

LinkedIn:

https://www.linkedin.com/company/canbdorg/

YouTube:

https://www.youtube.com/channel/UC5px2nUYgxiletdr9_6771A

Twitter id:

https://twitter.com/canbdorg

Instagram:

https://www.instagram.com/canbdorg/

Facebook page:

https://www.facebook.com/canbd.org

Facebook Group:

https://www.facebook.com/groups/canbd.org/


126 Views


5 2 votes
Article Rating
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments
Show Buttons
Hide Buttons
Social media & sharing icons powered by UltimatelySocial
0
Would love your thoughts, please comment.x
()
x